চা বাগানগুলোতে পর্যটকদের ভিড়

ঈদের ছুটিতে চা বাগানগুলোতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। চারপাশে সবুজের সমারোহ। নীল আকাশের নিচে যেন সবুজ গালিচা পেতে আছে সজীব প্রকৃতি। উঁচু-নিচু টিলা এবং টিলাঘেরা সমতলে সবুজের চাষাবাদ। শুধু সবুজ আর সবুজ। মাঝে মাঝে টিলা বেষ্টিত ছোট ছোট জনপদ। প্রকৃতির সকল সৌন্দর্যের সম্মিলন যেন এখানে। এমন অন্তহীন সৌন্দর্যে একাকার হয়ে আছে সিলেটের চা বাগান। সিলেটের চা বাগানের খ্যাতি রয়েছে সারা বিশ্বজুড়ে। দেশের মোট চায়ের ৯০ শতাংশই উৎপন্ন হয় সিলেটে। সিলেটকে দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশও বলা হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ হলেও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে অন্য এক ভালো লাগার ধারক হয়ে আছে সিলেটের চা বাগানগুলো। তাই ছুটির অবসরে কিংবা বৈকালিক বিনোদনের তারা ছুটে যান চা বাগানের সবুজ অরণ্যে। শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল চলে সবুজের ভেতর চা বাগান, মালনীছড়া চা বাগান, আলী বাহার চা বাগানেও।

বাংলাদেশের মোট ১৬৩টি চা বাগানের মধ্যে ১৩৫টি রয়েছে বৃহত্তর সিলেটে। বৃহত্তর সিলেটের শহরতলী সদর উপজেলায় বেশ কয়েকটি চা বাগান আছে, লাক্কাতুরা চা বাগান, মালনীছড়া চা বাগান, আলী বাহার চা বাগান, দলদলি চা বাগান, খাদিম চা বাগান, বড়জান চা বাগান, তারাপুর চা বাগান। উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন চা বাগান সিলেট সদর উপজেলায় রয়েছে বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের বৃহত্তম এবং সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত চা বাগান মালনীছড়া চা বাগান। চা-বাগানগুলো শহরের কাছাকাছি। ফলে এখানেই সবচেয়ে বেশি পর্যটকের আগমন ঘটে। বাগানে এসে মনটা পুরাই ভরে গেছে ঢাকা থেকে ঘুরতে আশা রাজিয়া সুলতানা বলেন, গল্ফ ক্লাব মাঠ পেরিয়ে আরো একটু সামনে এগুলেই পেয়ে যাবেন সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়াম। চারপাশে চা বাগান আর মাঝখানে স্টেডিয়াম, সত্যিই অসাধারণ! এমন সবুজ প্রকৃতির ভেতর স্টেডিয়াম পৃথিবীতে সম্ভবত একটাই। বরিশাল থেকে বেড়াতে আসা জাহিদ বলেন,

শহরের কাছে থাকায় চা বাগানের সৌন্দর্য দেখতে বন্ধুদের নিয়ে এখানে আসছি। বন্ধুদের বেশ ভালো লাগেছে। এর আগে বেশ কয়েকবার ঘুরে গিয়েছেন। কিন্তু এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বরাবরই তাকে টানে। তাই ছুটি পেলেই বারবার ছুটে আসেন। আর বেড়ানোর কথা মনে হলেই সিলেটের কথা সবার আগে মনে আসে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জেদান আল মুসা বলেন, সিলেটে হাজার হাজার পর্যটকরা ঘুরতে আসেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। বাড়তি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঈদে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কোথাও কো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *